মাতৃভাষায় ছোটদের রামায়ণ লিখেছে ছোট্ট আয়ুষ
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : করোনা আবহে লকডাউন পর্বে বন্ধ ছিল স্কুল। বাইরে বেরিয়ে খেলাও বন্ধ ছিল। ওই সময় টিভি সিরিয়ালগুলির শ্যুটিং বন্ধ থাকায় ডিডি চ্যানেলে রামায়ণ ও মহাভারত সম্প্রচারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সেই অবসরে ছোটদের রামায়ণ লিখে ফেলল ১০ বছর বয়সি এক খুদে পড়ুয়া। ঘটনাই ঘটেছে ওড়িশায়। আয়ুষকুমার খুন্তিয়া নামের ওই বালক নিজের মাতৃভাষা ওড়িয়ায় ১০৪ পাতার বইটি লিখেছে। তার নাম- ‘পিলাকা রামায়ণ’। যা ছোটদের রামায়ণ।
এ বিষয়ে ছোট্ট আয়ুষ জানিয়েছে, গত মার্চে রামায়ণ সম্প্রচারের সিদ্ধান্ত হয়, তখন তার কাকা তাকে রোজকার পর্বগুলি দেখতে বলেছিলেন। এমনকী পর্বগুলির উপর প্রতিদিন তাকে কিছু না কিছু লিখতেও বলা হয়েছিল। এরপর আয়ুষ প্রতিদিনই রামায়ণ দেখে তার নোটবুকে লিখে রাখত। পরে সেখান থেকেই ছোটদের রামায়ণ লেখার কথা মাথায় এসে যায়।
মাত্র দু-মাসের মধ্যেই সে লিখে ফেলেছে গোটা বইটি। এ বিষয়ে ওড়িশার ওই বালকের বক্তব্য, বইয়ে অনেক সুন্দর মুহূর্ত তুলে ধরেছি আমি। বাড়ি ছেড়ে রামের ১৪ বছরের বনবাসে যাওয়ার কথা, সীতা মা-কে অপহরণের কথা। বনবাস থেকে ফেরার পর অযোধ্যাবাসী কীভাবে শ্রীরামকে স্বাগত জানিয়েছিলেন সে কথাও লিখেছি। জীবনে একটা উচ্চতায় পৌঁছতে গেলে সকলের বই পড়া আর লেখালেখির খুব দরকার রয়েছে বলেও মনে করে সে।

